× বর্ধমান আঞ্চলিক পর্ব মেদিনীপুর আঞ্চলিক পর্ব কলকাতা আঞ্চলিক পর্ব মালদা আঞ্চলিক পর্ব শিলিগুড়ি আঞ্চলিক পর্ব গ্র্যান্ড ফিনালে

সংসারের নানা ওঠা পড়ার লড়াইয়ে হারিয়ে যায় বহু নারীর প্রতিভা। তাঁদেরই সুপ্ত প্রতিভাকে স্বীকৃতি দিয়ে স্বপ্ন ছোঁয়ার সুযোগ করে দিল দুই ঐতিহ্যশালী প্রতিষ্ঠান আনন্দবাজার পত্রিকা এবং পি সি চন্দ্র জুয়েলার্স-এর আয়োজন ‘অদ্বিতীয়া’। গান, নাচ এবং আবৃত্তিতে প্রতিভার সফল বহিঃপ্রকাশের মঞ্চ হল এই 'অদ্বিতীয়া'।
গত নভেম্বর মাসের ৭ তারিখে প্রথম বিজ্ঞাপন প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সাড়া পড়ে গিয়েছিল। প্রায় দশ হাজার উৎসাহী প্রতিযোগী নাম নথিভুক্ত করেন। তার পর নিজের গান, নাচ অথবা আবৃত্তির ৬০ সেকেন্ডের ভিডিয়ো রেকর্ড করে পাঠান। এর ভিত্তিতে নির্বাচিতদের পরবর্তী প্রতিযোগিতা শুরু হয় আঞ্চলিক স্তরে। বর্ধমান, মেদিনীপুর, মালদহ, শিলিগুড়ি ও কলকাতা - এই পাঁচটি পর্বে সমস্ত বাংলার প্রতিযোগীদের লড়াই শুরু হয়।
প্রতিটি আঞ্চলিক পর্ব থেকে প্রত্যেক বিভাগের সেরা নির্বাচিত হন গ্র্যান্ড ফিনালের জন্য। এ ছাড়াও প্রত্যেক বিভাগে সব আঞ্চলিক পর্ব মিলিয়ে যাঁরা দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় হয়েছিলেন, তাঁদের নিয়ে হয় আরেক পর্বের লড়াই। সেখান থেকে গ্র্যান্ড ফিনালের জন্য প্রত্যেক বিভাগে বেছে নেওয়া হয় এক জনকে। সব মিলিয়ে প্রত্যেক বিভাগে ছয় জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন গ্র্যান্ড ফিনালেতে।
২৯ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় অনুষ্ঠিত হল গ্র্যান্ড ফিনালে। আঠেরো জন প্রতিভাশালীর উপস্থিতিতে কলকাতার কলামন্দির সাক্ষী হয়ে থাকল এক অবিস্মরণীয় সন্ধ্যার। সুপ্ত প্রতিভারা পেলেন অভূতপূর্ব স্বীকৃতি। কানায় কানায় পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহের সবাই উঠে দাঁড়িয়ে হাততালি দিয়ে তিনজন বিজয়িনীকে অভিবাদন জানালেন। স্বপ্ন আর উৎকণ্ঠার মঞ্চে প্রতিযোগীরা ছাড়াও দর্শকদের মুগ্ধ করলেন সঙ্গীতশিল্পী শ্রীমতি লোপামুদ্রা মিত্র, নৃত্য শিল্পী শ্রীমতি সৌমিলি বিশ্বাস এবং আবৃত্তিকার শ্রীমতি ব্রততী বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনজনের একসঙ্গে উপস্থাপনা কলকাতার মঞ্চে এই প্রথম।
এ বছরের মতো ‘অদ্বিতীয়া’ শেষ হল, কিন্তু রেখে গেল আগামী দিনে আরও লুকিয়ে থাকা প্রতিভাকে খুঁজে বের করার দৃঢ় অঙ্গীকার।

গ্যালারি

বর্ধমান
মেদিনীপুর
কলকাতা
মালদা
শিলিগুড়ি
গ্র্যান্ড ফিনালে